রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় আবারও চুরির ঘটনা ঘটেছে। এবার দুই শিক্ষার্থীর দুটি ল্যাপটপ চুরি হওয়ার পর এক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে প্যানিক অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত প্রায় ৯টা ১৫ মিনিটে রুয়েট গেট সংলগ্ন দারুস সালাম মসজিদের পেছনে অবস্থিত জননী প্যালেস নামের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। চুরির শিকার হন রুয়েটের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইবনুল হোসাইন (মিথুন) ও শাহরিয়ার আবেদিন হৃদয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, তারা নিজেদের কক্ষে ল্যাপটপ রেখে পাশের রুমে গল্প করতে যান। এসময় রুমের দরজায় তালা দেওয়া ছিল না। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে তারা দেখতে পান, কক্ষে থাকা দুটি ল্যাপটপই উধাও।
পরে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এক ব্যক্তি ল্যাপটপ দুটি ব্যাগে ভরে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে যাচ্ছেন। ফুটেজে তার গায়ে “লিয়ন (১০৭)” লেখা রুয়েটের একটি জার্সি দেখা যায়।
ঘটনার সূত্র ধরে স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক বছর আগে একই এলাকার নার্গিস ভিলা নামের আরেকটি ভবনে তড়িৎকৌশল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ লিয়নের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় নগদ অর্থ, ল্যাপটপ ও ব্যক্তিগত মালামাল চুরি হয়। যদিও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চুরি যাওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার হয়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, আগের ঘটনার সঙ্গে জড়িত একই ব্যক্তি পুনরায় এই চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে।
এদিকে ঘটনার পর মিথুন গুরুতর মানসিক চাপে পড়ে প্যানিক অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। পরে রুয়েট ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘনঘন চুরির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেস ও আবাসিক ভবনগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত প্রায় ৯টা ১৫ মিনিটে রুয়েট গেট সংলগ্ন দারুস সালাম মসজিদের পেছনে অবস্থিত জননী প্যালেস নামের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। চুরির শিকার হন রুয়েটের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইবনুল হোসাইন (মিথুন) ও শাহরিয়ার আবেদিন হৃদয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, তারা নিজেদের কক্ষে ল্যাপটপ রেখে পাশের রুমে গল্প করতে যান। এসময় রুমের দরজায় তালা দেওয়া ছিল না। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে তারা দেখতে পান, কক্ষে থাকা দুটি ল্যাপটপই উধাও।
পরে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এক ব্যক্তি ল্যাপটপ দুটি ব্যাগে ভরে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে যাচ্ছেন। ফুটেজে তার গায়ে “লিয়ন (১০৭)” লেখা রুয়েটের একটি জার্সি দেখা যায়।
ঘটনার সূত্র ধরে স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক বছর আগে একই এলাকার নার্গিস ভিলা নামের আরেকটি ভবনে তড়িৎকৌশল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ লিয়নের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় নগদ অর্থ, ল্যাপটপ ও ব্যক্তিগত মালামাল চুরি হয়। যদিও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চুরি যাওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার হয়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, আগের ঘটনার সঙ্গে জড়িত একই ব্যক্তি পুনরায় এই চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে।
এদিকে ঘটনার পর মিথুন গুরুতর মানসিক চাপে পড়ে প্যানিক অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। পরে রুয়েট ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘনঘন চুরির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেস ও আবাসিক ভবনগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইসমাইল